তিনি বলেন, ‘হঠাৎ করে এমন ডিমান্ড বেড়ে গেছে যারা সারাদিনে যে তেল বিক্রি করত, সেই তেল ৩ ঘণ্টায় শেষ করে ফেলছে।’ গতকাল সকালে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আপনি গতকাল বলেছেন তেলের সংকট নেই, তাহলে মানুষ তেল পাচ্ছে না কেন জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘আগে (পাম্পে) সারাদিন পরও জ্বালানি তেল উদ্বৃত্ত থাকত। কিন্তু এ রকম লাইন দিয়ে সারাদিন বিক্রি করার পর উদ্বৃত্ত থাকে না, আর আমাদের ডিপোগুলো থেকে তেলের ট্যাংকার পৌঁছাতে সময় লাগে, সেজন্য সকালবেলা থাকে না। পরে তো থাকে!’ তিনি বলেন, ‘আমাদের তো একটা প্রক্রিয়ায় পেট্রল পাম্প চলে। সেই নিয়মটা এখন ভেঙে পড়ছে। এত ভিড়! পেট্রল পাম্পে সবসময় যে তেল দেয়া হয়, সেটাই থাকে, কিন্তু তার গ্রাহক বেড়ে গেছে। স্বাভাবিকভাবেই লাইন থাকবে, তেল পাবে না। এটা অস্বাভাবিক কিছু না।’ এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি বলেছি, আপনারা তেল পাবেন। প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল নেবেন না, তাহলে আমরা সরবরাহটা ঠিক রাখতে পারব। ১০ জনের খাবার একজন খেয়ে ফেললে সংকট তো হবেই। এখন যদি একই লোক ১০টা পাম্প ঘুরে ট্যাংক বোঝাই করে, তাহলে তাই হবে। আমরা গাড়ির মালিকদের সহযোগিতা চাচ্ছি।’
তেলের দাম বাড়বে কিনা জানতে চাইলে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘দাম বাড়ানোর বিষয়টা তো মন্ত্রণালয় দেখে না। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) দেখে, তারা বুঝবে। আর এখনো তো বাড়াইনি।’
ঈদে তেলের জন্য কোনো অসুবিধা হয়নি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমার মনে হয় যে এখনো কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু মানুষকে বুঝতে হবে, অকারণে মজুদ করার কোনো প্রয়োজন নেই। জিনিসটা তো আমরা তৈরি করি না, আমদানি করি এবং পৃথিবীতে একটা গোলমাল লেগেছে। সেজন্য সবাইকে তো সাশ্রয়ী হতে হবে।’